দেশের সবচেয়ে বড় বাংলা প্রশ্নোত্তর সাইট
আন্স বাংলা ডট কমে আপনাকে সুস্বাগতম ! এখানে বিনামুল্যে আপনার প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে দয়া করে নিবন্ধন করুন। নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন......।
64 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন উদিয়মান
আমার দেহে অনেক রাগ যা ভাষাতে প্রকাশ করা যাবে না। একটুতেই রেগে যায়,,,কিন্ত সে রাগ ৫মিঃ ও থাকে না। রাগের মাথাতে অনেক ভুল কাজ ও কথা বলে ফেলি যা আমার জন্য অমঙ্গলকর। আমি বুঝতে পারছি না ঠিক কি ভাবে রাগ কমাবো ও ধৈর্যশীল হয়ে উঠব...!???

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন বিচক্ষণ

অতিরিক্ত রাগ কমাতে:

  •  বলার আগে ভাবুন রাগের মাথায় কোনো কিছু বলে ফেলা খুব সোজা। তারপরে সেই কথা নিয়ে অনুশোচনার শেষ থাকে না। কিছু বলার আগে কয়েক মুহূর্ত সময় নিন। একটু ভাবুন। অন্যদেরও ভাবার সুযোগ দিন। 
  • মাথা ঠাণ্ডা হলে তবেই রাগের প্রকাশ করুন যখন আপনি সাফ ভাবতে পারছেন, তখনই রাগ প্রকাশ করুন। বিরক্তি প্রকাশ করুন, কিন্তু যুদ্ধের মেজাজে নয়। যত রাগই হোক, অন্যকে অপমান করা কাজের কথা নয়। 
  • কিছু ব্যায়াম করুন। শরীর চর্চা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। রাগও নিয়ন্ত্রণে রাখে। যদি দেখেন চড়চড় করে বাড়ছে রাগের পারদ, তাহলে বরং কয়েক চক্কর হেঁটে আসুন। 
  •  ছোট্ট একটা টাইমআউট নিন। টাইমআউট শুধু ছোটদের জন্য নয়। দিনের যে সময়টা ভয়ানক স্ট্রেসের সে সময় নিজেকে কিছুটা ব্রেক দিন। নিজের জন্য শান্ত কিছু সময় বিরক্তিকর অনেক কিছু থেকে মুক্তি দেয়। রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
  •  সমাধান খোঁজার চেষ্টা করুন কী কারণে আপনি রেগে যাচ্ছেন সে বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে কীভাবে সমস্যার সমাধান হবে তা ভাবুন। 
  • নিজের বক্তব্য সাফ জানান অন্যের নিন্দা বা সমালোচনা না করে নিজের পছন্দ-অপছন্দ পরিস্কার করে জানান। নির্দিষ্ট করে আপনার চাহিদাটা জানান। 
  • রাগ পুষে রাখবেন না ,ক্ষমা করতে শিখুন। মনের মধ্যে রাগ পুষে রেখে সবসময় খারাপ কথাই ভাবলে আখেরে ক্ষতি আপনারই। নিজের এই এক পেশে চিন্তায় ডুবে থাকলে ভাল কিছু ভাবার ক্ষমতাটাই না চলে যায়। ক্ষমা করতে শিখুন। নিজের ব্যবহার নিয়েও খুঁটিয়ে ভাবুন। সবাই সব সময় আপনার মতই ভাববে এতটাও আশা করা বোধহয় ঠিক নয়। 
  • টেনশন কমাতে হাসি-ঠাট্টার আশ্রয় নিন টেনশন কমাতে হাসি ঠাট্টার জুরি মেলা ভার। তবে নিজের চাপ বা রাগ কমাতে গিয়ে অন্যের অনুভূতিকে আঘাত করে ব্যঙ্গ না করাই ভাল। 
  • রিল্যাক্সড হওয়ার কিছু স্কিল প্র্যাকটিস করুন যদি আপনার চড়া মেজাজে লাগাম পরাতে অসুবিধা হয়, তাহলে জোরে জোরে গভীর নিঃশ্বাস ফেলুন। মজার কোনও দৃশ্য ভাবুন। 
  • গান শুনুন, বই পড়ুন, আপনার আদতে যা যা করতে ভাল লাগে সে দিকে বেশি করে মন দিন। 
  • প্রয়োজন হলে সাহায্য নিন যদি কোনও ভাবেই আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণে না আসে, যদি আপনার রাগ আপনার বা অন্যদের লাগাতার ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন নবীন
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন রাগ একটি স্বাভাবিক আবেগ। কিন্তু এই রাগ ক্ষতির কারণ হয়েও দেখা দিতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে ব্যক্তিজীবন, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে। এমনকি স্বাস্থ্যের ওপরও রাগের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

কর্মশালাটির আয়োজক আর্ক নামের একটি মনোচিকিৎসা কেন্দ্রের মনোবিজ্ঞানী মধুরিমা সাহা হিয়া বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের সহনশীলতা কমছে, আর রাগের বহিঃপ্রকাশ আগের থেকে অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

তিনি বলছেন, "প্রতিদিন কিন্তু রাস্তায় বের হলেই অন্তত দুই থেকে তিনটা ঝগড়া দেখি। যেমন ধরুন, রিকশাওয়ালার সাথে যাত্রীর, এক বাসের সাথে আরে বাসের চালকের, ফেরিওয়ালার সঙ্গে ক্রেতার। প্রতিদিনই কিন্তু আমরা ঝগড়া দেখছি। আমাদের অবজারভেশন বলে আমাদের ধৈর্য কমছে আর রাগ বাড়ছে।"

কিন্তু কোন পর্যায়ে গেলে সেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কথা ওঠে?

মধুরিমা সাহা বলছেন, "যখন সেটা স্বাভাবিকের পর্যায়ে থাকবে না তখনই তা নিয়ন্ত্রণের দরকার। যেমন কেউ যদি আক্রমণাত্মকভাবে সেটি প্রকাশ করে, মানুষজনকে আঘাত দিয়ে, অন্যকে হুমকি দিয়ে বা জিনিসপত্র ভাঙচুর করে যদি কেউ রাগ প্রকাশ করে - তাহলে।"

হুট করে এমন রেগে গিয়ে খুন খারাবি পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে এমন ঘটনাও শোনা যায়।

রাগ এমন পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগেই সেটি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার বলছিলেন এই মনোবিজ্ঞানী। কিন্তু রাগে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

মধুরিমা সাহা চারটি সহজ টিপস দিলেন।

তিনি বলছেন, তাৎক্ষণিক কিছু কাজ আমরা করতে পারি, যেমন যে জায়গাটিতে রেগে যাওয়ার মতো কিছু ঘটেছে সেখান থেকে সরে যাওয়া। যার ওপরে রাগ হয়েছে - তার কাছ থেকে সরে যাওয়া। তার সাথে তখনই নয়, বরং খানিক পরে কথা বলা। হাতের কাছে যদি বরফ থাকে তাহলে তা হাত দিয়ে ধরে থাকা। বরফ মেজাজ শীতল করতেও সহায়তা করে।

"যদি সম্ভব হয় যে কাপড়ে আছেন তাতেই গোসল করে ফেলুন। নিশ্বাসের একটি ব্যায়াম করে দেখতে পারেন। সেটি করার পদ্ধতি হল, রাগ থেকে মনটাকে সরিয়ে নিশ্বাসের দিকে মনোযোগ দেয়া। বুক ভরে গভীর নিশ্বাস নেয়া, সেটাকে কিছুক্ষণ ধরে থাকা, কিছুক্ষণ পর বাতাস ছেড়ে দেয়া। সেটি রাগ কমাতে সাহায্য করে।"

"হয়ত এর সবগুলোই আপনার কাজে নাও আসতে পারে কিন্তু চেষ্টা করে দেখতে তো আর সমস্যা নেই" -বলছেন মধুরিমা সাহা।

সূত্র:উইকিপিডিয়া
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন জ্ঞানী

হঠাৎ করে রেগে গেলে সেই জায়গাতে তাৎক্ষনিক বসে পড়ুন, অথবা বাহিরে বের হয়ে পড়ুন। নিজেকে রাগের বিষয় থেকে ডিমটিভেট করুন। সাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন, হাসার চেষ্টা করুন।

মো: আতিকুর রহমান আতিক নতুন কিছু শিখতে ও করতে ভালোবাসেন। নতুন কিছু নিয়ে আগ্রহের এ টান পৌছে দিয়েছে তাকে আন্স বাংলায়। ভবিষ্যতে একজন ক্রিকেটার হতে চান তিনি, সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। তিনি আন্স বাংলার সেবায় নিযুক্ত আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নসমূহ

1 টি উত্তর
আন্স বাংলা মাতৃভাষা বাংলায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন মাধ্যম। এখানে আপনি দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। তাছাড়া অন্যান্য কার্যাবলীর মাধ্যমে নিজেদের আদর্শ ও প্রতিভাকে বিকাশিত করতে পারবেন। সমস্যার সমাধান দেওয়ার পাশাপাশি নিজের জ্ঞানকে যাচাই ও সমুন্নত করে অনলাইনে উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

8 জন অনলাইনে আছেন
0 জন মেম্বার 8 জন অতিথি
আজকের ভিজিট: 4056
গতকালের ভিজিট : 7588
সর্বমোট ভিজিট : 3965565
আন্স বাংলায় প্রকাশিত সকল প্রশ্ন, উত্তর এবং মন্তব্যসহ যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র প্রকাশকারী সদস্যের, এতে কোনো ভাবেই কোনো বক্তব্য আন্স বাংলার মতামত নয় ।
...