"সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে করেছেন (501 পয়েন্ট)

1 উত্তর

১৫৩১ খ্রিস্টাব্দে ঠাকুর নরোত্তম দাস তৎকালীন গড়েরহাট পরগণার অন্তর্গত বর্তমান রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা তীরের গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জমিদার কৃষ্ণনন্দ দাস, মা নারায়নী রাণী। গোপলপুরে শৈশব পার করে ঠাকুর নরোত্তম দাস বৃন্দাবন অভিমুখে যাত্রা করেন। সেখানে নিখিল বৈষ্ণবকুল লোকনাথ গোস্বামীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করে দীক্ষা লাভ করেন। পরে তিনি খেতুরে ফিরে আসেন। খেতুর মন্দিরে গড়ে তোলেন স্থাপনা। এরপর তিনিই প্রথমে এখানে এ উৎসবের আয়োজন করেন। ভক্তরা দূর-দূরান্ত থেকে তার কাছে এসে দীক্ষা গ্রহণ করতে শুরু করেন।

১৬১১ খ্রিস্টাব্দের কার্তিকী কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথিতে ঠাকুর নরোত্তম দাস নিত্তলীলায় প্রবেশের মানসে গঙ্গাস্নানের বাসনা প্রকাশ করেন। শিষ্যরা তাকে গঙ্গাজলে নিয়ে গেলে নিজের দেহকে অর্ধনিমজ্জিত করে প্রিয় শিষ্য গঙ্গানারায়ণ ও রামকৃষ্ণকে আদেশ করেন তার দেহ মার্জন করতে। গুরু আজ্ঞায় নরোত্তমের ওই দুই শিষ্য তার দেহ মার্জন করতে থাকলে পুরো দেহ এক সময় সাদা দুধের মতো তরল পদার্থে পরিণত হয়ে গঙ্গাজলে মিলিত হয়ে যায়। সে অনুযায়ী ঠাকুর নরোত্তম দাস পৃথিবীতে ৮০ বছর স্থায়ী ছিলেন। এরপর থেকেই যুগ পরস্পরায় দুর্গাপূজার পর বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারীরা অহিংসার এই মহান সাধকের কৃপা লাভের আশায় খেতুরীধামে বছরে একবার মিলিত হয়ে থাকেন।

পরবর্তীতে এটাই খেতুরী মহোৎসব নামে পরিচিতি লাভ করে।
করেছেন

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নসমূহ

0 টি উত্তর
1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
11 ফেব্রুয়ারি 2021 "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sajal ojha (33,333 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
31 জানুয়ারি 2021 "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Siddique (29,655 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
16 অক্টোবর 2020 "খেলাধুলা ও শরীরচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mohammad Sayem (377 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
09 অক্টোবর 2020 "খেলাধুলা ও শরীরচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mohammad Sayem (377 পয়েন্ট)
...