"খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
বর্তমানে অত্যন্ত ব্যস্ত জীবনযাত্রার জন্য সব মানুষের পক্ষে প্রতিদিন তিনবেলা রান্না করে খাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনা । তাই বাধ্য হয়েই তাদের কিছু খাবারকে পরে খাবার জন্য তুলে রাখতে হয় । কিছু সময় পর্যন্ত খাবার বাসি থাকলেও ওই খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ উভয়ই অক্ষুন্ন থাকে কিন্ত যত সময় অতিক্রান্ত হতে থাকে ততোই বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ওই খাবারকে পচিয়ে খাবার অনুপযুক্ত করে তুলতে থাকে । এই বাসি খাবার খেলে গুরুতর ' Food poisoning ' থেকে শুরু করে অম্বল , গ্যাস , ডায়রিয়া ও অনেক ধরণের পেটের গন্ডগোল হতে পারে । প্রথমেই যে বাসি খাদ্যটিকে একেবারেই বর্জন করা উচিত তা হলো বাসি পাউরুটি । বাজার থেকে কিনে আনার পর যে কোন পাউরুটির টুকরোকে হালকা আগুনে সেঁকে নেওয়া উচিত কিন্ত তা স্বত্তেও পাউরুটি যদি কিছুদিনের পুরোনো ও বাসি হয় এবং তার ওপরে হালকা সাদা সাদা আস্তরণ থাকে ব্যকটেরিয়া দ্বারা fermented হবার ফলে , তাহলে সেই পাউরুটিকে ঘুর্ণাক্ষরেও খাওয়া উচিত নয় । একইরকম ভাবে অনেকদিনের বাসি মাছ ও মাংস খাওয়া উচিত না (যতই তাকে ফ্রিজে রাখা হোক না কেন )। বাসি মিস্টি , চকোলেট ' ও না খাওয়াই ভালো । তবে বাসি খাবার মাত্র' ই খারাপ এরকম ভাবার কোন কারণ নেই । কিছু খাদ্যকে বাসি অবস্থায় খেতে বেশি ভালো লাগে (তবে যেন পচা না হয় )। যেমন রাতে ভিজিয়ে রাখা ভাত পরের দিন সকালে বাসি অবস্থায় খেতে (যাকে পান্তাভাত বলে ) অতি উত্তম লাগে এবং এর পুষ্টিগুণও আছে । ঘরে পাতা দই বাসি না হলে খেতে ভালো লাগে না । ঠিক তেমনি বাসি ডালকে শুকিয়ে (ডাল শুকনা) খেতেও খুব ভালো লাগে । বাসি তালের ফুলুরি তো অনেকেরই প্রিয় খাবার । তাই যাই খান , টাটকা খাবার চেস্টা করুন , যদি সম্ভব না হয় বাসি খাবার খেতে পারেন কিন্ত যেন বেশিদিনের পুরোনো না হয়।
করেছেন

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নসমূহ

1 টি উত্তর
...