16 জন দেখেছেন
04 নভেম্বর 2019 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (215 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
04 নভেম্বর 2019 উত্তর প্রদান করেছেন (89,220 পয়েন্ট)

পরকীয়ার আইন

দণ্ডবিধি আইনের ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের শাস্তির উল্লেখ করা হয়েছে। এ আইনে বলা হয়েছেযদি কোনো ব্যক্তি অন্য লোকের স্ত্রী জানা সত্ত্বেও বা সেটা বিশ্বাস করার অনুরূপ কারণ রয়েছে এমন কোনো নারীর সঙ্গে স্বামীর সম্মতি ব্যতীত যৌন সঙ্গম করেন এবং অনুরূপ যৌন সঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধ না হয়তাহলে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের দায়ে দায়ী হবেনযার শাস্তি সাত বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এ ক্ষেত্রে নির্যাতিতাকে অন্য লোকের স্ত্রী হতে হবে।

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই যেব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোকের কোনো শাস্তির বিধান আইনে নেই। ওই স্ত্রীলোকটি যে দুষ্কর্মের সহায়তাকারিণী বা ব্যভিচারের অপরাধে দোষী অথচ তিনি কোনো সাজা পাবে না। এ বিষয়ে মহামান্য লাহোর হাই কোর্ট একটি নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত দিয়েছেযা পাকিস্তান লিগ্যাল ডিসিশন১৯৭৪ সন্নিবেশিত রয়েছে। মহিলা আসামি হতে পারে না। তবে ওই পুরুষটির সাজা দিতে হলে অভিযোগকারীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যেওই মহিলার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার সময় আসামি জানত অথবা জানার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল যেযৌন সঙ্গমকারী মহিলা অপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রী।

উল্লেখ থাকে যেকোনো মহিলাকে তার আগের স্বামী তালাক দিয়েছেন এই সরল বিশ্বাসে আসামি বিবাহ করলে তাকে এ ধারার অধীন দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছেযে মহিলার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করা হয় সে মহিলা ওই সময় বিবাহিত না হলে এই ধারার অধীনে কোনো অপরাধ আমলে আনা যায় না। এ ধারার অধীন শাস্তি দিতে হলে বিবাহের বিষয়টি যথাযথভাবে প্রমাণ করতে হয়।






ইসলামে পরকীয়ার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এ সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য একটি হাদিস-

"আল্লাহর রাসূল বিবাহিত ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীকে পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান করতেন এবং, তাঁর পরে, আমরাও পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান করতাম, আমি ভয় করি যে কালের অতিক্রমের সাথে সাথে, মানুষ হয়তবা এটি ভুলে যাবে এবং হয়তো বলবে: আমরা আল্লাহর কিতাবে পাথর নিক্ষেপের শাস্তি খুঁজে পাই নি, এবং আল্লাহর নির্দেশিত এই কর্তব্য পরিত্যাগ করে বিপথে যাবে। পাথর নিক্ষেপ হল আল্লাহর কিতাবে দেয়া ব্যভিচারী বিবাহিত পুরুষ ও নারীদের জন্য ধার্যকৃত একটি দায়িত্ব যখন তা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়, অথবা যদি গর্ভধারণ ঘটে, অথবা যদি দোষ স্বীকার করা হয়।"
— সহীহ মুসলিম, ১৭:৪১৯৪


হাদিসটি থেকে বুঝানো হচ্ছে যে পরকীয়ায় জড়িতদের শাস্তি দেয়া মুসলিমদের জন্য একটি দায়িত্বস্বরুপ এবং এর জন্য কোনো ক্ষমা নেই। 
তবে শাস্তি দেয়ার পূর্বে পরকীয়ার অভিযোগ অবশ্যই ১০০ শতাংশ প্রমাণিত হতে হবে।


সংশ্লিষ্ট প্রশ্নসমূহ

1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
16 এপ্রিল 2020 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Roki (12,845 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
16 এপ্রিল 2020 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Roki (12,845 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
28 অক্টোবর 2019 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নীলয় (2,782 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
28 অক্টোবর 2019 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নীলয় (2,782 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
28 অক্টোবর 2019 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নীলয় (2,782 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
29 ডিসেম্বর 2020 "আইন-কানুন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Atiqur Rahman Atik (24,140 পয়েন্ট)
...