27 জন দেখেছেন
"খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে করেছেন (2,215 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
কাঁচা ডিম খেলে বেশি শক্তি পাওয়া যায় বা শক্তি বাড়ে, কথাটি একেবারে ভুল। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা নেই, বরং এ থেকে নানা রোগব্যাধি হতে পারে।কাঁচা ডিম সহজে হজম হয় না। কাঁচা ডিম খেলে শরীরে বায়োটিনের অভাব হয়। এতে ওজন কমা, জিহ্বার রুক্ষতা, ত্বকের প্রদাহের সমস্যা হয়। কাঁচা ডিমের মধ্যে অধিকাংশ সময় এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়, যার নাম সালমোনেল। এটি খেলে পেটের অসুখ, বমি, এমনকি টাইফয়েড পর্যন্ত হতে পারে।
তাই ডিম কাঁচা নয়, বরং রান্না করে খাওয়া প্রয়োজন।ডিমকে আধা সেদ্ধ, ভাজা, সেদ্ধ করে খেতে পারেন। ডিম রান্না করলে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না। কাঁচা ডিম খেলে বিভিন্ন রোগবালাই হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
করেছেন (89,237 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ

image

রান্না করার সময় ডিমে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি উপাদানগুলো কিছুটা নষ্ট হয়। কাঁচা ডিমে ভিটামিন বি (বি৬ এবং ফোলেট), ভিটামিন ই, খনিজ পুষ্টি উপাদান চোলিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ‍লুটেইন এবং জেএক্সানথিন একটু বেশিই থাকে। কিন্তু এই পার্থক্য খুবই নগন্য।

উদারহণ- একটি কাঁচা ডিম থেকে আপনি ভিটামিন বি ৬ পাবেন .০৮৫ মাইক্রোগ্রাম, চোলিন পাবেন ১৪৬.৯ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে একটি রান্না করা ডিমে ভিটামিন বি থাকে ০.৭২ মাইক্রোগ্রাম, চোলিন থাকে ১১৭ মিলিগ্রাম।

কিন্তু প্রোটিনের বেলায় রান্না করা ডিমই বেশি উপকারি। কাঁচা ডিম থেকে আমাদের দেহ মাত্র ৫০% প্রোটিন শুষে নিতে পারে। অন্যদিকে, রান্না করা ডিম থেকে আমাদের দেহ ৯১% প্রোটিন শুষে নিতে পারে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, রান্না করার সময় তাপ দেওয়ার ফলে ডিমের প্রোটিন অণুগুলোর কাঠামো এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যে তা আরো বেশি হজমযোগ্য হয়ে ওঠে।

একটি কাঁচা ডিম থেকে আমাদের দেহ মাত্র ৩ গ্রাম হজমযোগ্য প্রোটিন পায়; অন্যদিকে একটি রান্না করা ডিম থেকে পায় ৬ গ্রাম।

আর তা ছাড়া কাঁচা ডিমে স্যালমোনেলা নামের এমন একটি ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু রয়েছে যা ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া ঘটায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর অন্তত ১০ লাখ মানুষ খাদ্যের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন কাঁচা ডিম খেয়ে।

তবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য দায়ী জীবাণু স্যালমোনেলা শুধু কাঁচা ডিমই নয় বরং পোল্ট্রি, মাংস, কাঁচা দুধ, পনির এবং এমনকি পঁচা ফল-মুল এবং সবজিতেও থাকে।

ডিম সেদ্ধ বা রান্না করলে এই ব্যাকটেরিয়া নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি দূর হয়।

সূত্র : ফক্স নিউজ

করেছেন (24,138 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নসমূহ

1 টি উত্তর
31 জুলাই 2019 "খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Azad (2,215 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
31 জুলাই 2019 "খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Azad (2,215 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
05 এপ্রিল 2020 "স্বাস্থ্য টিপস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নাহিয়ান (7,119 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
11 জানুয়ারি 2020 "স্বাস্থ্য টিপস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Atiqur Rahman Atik (24,138 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
13 মে 2020 "খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শূণ্যস্থান (89,237 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
25 আগস্ট 2019 "খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Azad (2,215 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
31 জুলাই 2019 "খাদ্য, পুষ্টি ও রান্না-বান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Azad (2,215 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
09 ফেব্রুয়ারি 2020 "স্বাস্থ্য টিপস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Atiqur Rahman Atik (24,138 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
04 ফেব্রুয়ারি 2020 "স্বাস্থ্য টিপস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Atiqur Rahman Atik (24,138 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
01 ফেব্রুয়ারি 2020 "স্বাস্থ্য টিপস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Atiqur Rahman Atik (24,138 পয়েন্ট)
...